• Home
  • About
  • Contact
    • Category
    • Category
    • Category
  • Shop
  • Advertise
facebook twitter instagram pinterest bloglovin Email

জানতে হবে

জ্ঞান আহরণ, সঠিক সিদ্ধান্ত, সুন্দর জীবন

পেটে কৃমি আছে কি না যেভাবে বুঝবেন এবং জেনে নিন মুক্তির উপায়।

হঠাৎ হঠাৎ পেটে ব্যথা বা মাথার যন্ত্রণা। 
কিন্তু চিকিৎসকের কাছে যেতেই তিনি বলে দিচ্ছেন তেমন কিছুই হয়নি আপনার। সারাদিন শরীরে অ্স্বস্তি বোধ লেগেই রয়েছে। এটার কারণ একটাই হতে পারে, আর সেটা হল কৃমি। কিন্তু পেট ব্যথা আর মাথা যন্ত্রণাই শুধু নয়, আপনার শরীরে যে কৃমি বাসা বেঁধেছে, তা বোঝার জন্য আরও কয়েকটি উপসর্গ রয়েছে।
কৃমি, krimi



কী সেই উপসর্গগুলি?
============
অস্থিরতা, অকারণে অতিরিক্ত চিন্তা, অবসাদে ভোগা, আত্মহত্যাপ্রবণ হওয়া।
মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার অতিরিক্ত ইচ্ছা।
রক্তাল্পতা এবং আয়রন ডেফিশিয়েন্সি। কৃমি থাকলে শরীরে রক্তের পরিমাণ কমতে কমতে অ্যানিমিয়া পর্যন্ত হতে পারে।
ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়া, র্যা শ, অ্যাকনে, চুলকুনি ইত্যাদি হওয়া।
মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া।
ঘুমনোর সময়ে মুখ থেকে লালা পড়া।
ফুড অ্যালার্জি।
খিদে না পাওয়া।
মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলে সমস্যা।
অকারণে ক্লান্ত হয়ে পড়া।
গা-হাত-পা ব্যথা।
নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
স্মৃতিভ্রম হওয়া।

উপসর্গগুলি পড়ে অনেকেই নিজেদের সমস্যার সঙ্গে মিল খুঁজে পাবেন, কারণ সমীক্ষা বলেছে ৮৫ শতাংশ মানুষের পেটে কৃমি থাকে। কিন্তু কীভাবে মুক্তি পাবেন কৃমির হাত থেকে! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক আব্রাম বের জানিয়েছেন, ওষুধ নয়, কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতেই কৃমি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

কাঁচা রসুন— কাঁচা রসুন অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। রসুন প্রায় ২০ ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ৬০ ধরনের ফাংগাস মেরে ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত কুচনো কাঁচা রসুন খান অথবা রসুনের জুস করে খান।

লবঙ্গ— লবঙ্গ কলেরা, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মাকে প্রতিরোধ করতে পারে। এ ছাড়া রোজ লবঙ্গ খেলে ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস, ফাংগাস ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

আদা— আদা হজমের সমস্ত রকমের সমস্যা মেটাতে সক্ষম। হজমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, পেটে ইনফেকশন, ইত্যাদি দূর করতে আদার জুড়ি মেলা ভার। এই সমস্যাগুলিও কৃমি থেকে তৈরি হয়। তাই এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাঁচা আদার রস খান খালি পেটে।

শশার বীজ— ফিতাকৃমি রুখতে শশার দানা সর্বশ্রেষ্ঠ। শশার দানাকে গুঁড়ো করে নিন। প্রতিদিন এক চা-চামচ করে খান।

পেঁপে— পেটের সমস্যা দূর করতে পেঁপের থেকে ভাল কিছু হয় না। যে কোনও ধরনের কৃমি তাড়াতে পেঁপের বীজ শ্রেষ্ঠ। ভাল ফল পেতে পেঁপে এবং মধু খান।

কাঁচা হলুদ— কাঁচা হলুদ অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে।


টেস্ট লেখা
Share
Tweet
Pin
Share
No Comments
Horlicks, Complan, Buorn Vita


জন সচেতনতামূলক পোস্ট।
যারা বাচ্চাকাচ্চাদের হরলিক্স, কমপ্ল্যান, বুস্ট,মালটোভা ইত্যাদি খাওয়ান তাদের জন্যে এই লেখাটা পড়া জরুরী বলে মনে করছি।

ইন্ডিয়া তে হরলিক্স এর “টলার,স্টংগার, শার্পার” বিজ্ঞাপন চরম তুঙ্গে । একই হরলিক্স এর বিজ্ঞাপন প্রচার করছিল নেপালী এক চ্যানেল। নেপালী সেই চ্যানেল ব্রডকাস্ট হচ্ছিল লন্ডনের কিছু নেপালী পাড়ায়।

লন্ডনের এক এডভোকেট তো সেই বিজ্ঞাপন দেখে আকাশ থেকে পড়লেন। কারন ব্রিটেনে “ঘুমের পিল” এইড হিসেবে খাওয়ানো হয় হরলিক্স মল্টেড দুধকে। সেটা কিভাবে টলার স্ট্রংগার শার্পার করে সেটা জানতে আইনী নোটিশ পাঠিয়ে দেন। পরে সেই দেশে এই বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হয় সরকারী ভাবে। তারা তখন মস্করা করেই বলেছিল- “দক্ষিন এশিয়ানরাই এই সব জিনিস খাবার হিসেবে খাবে”। তাই হচ্ছে আজকাল আমাদের দেশে।

আমাদের দৈনিক খাবারের আইডিয়াল মেনু কে “RDA” বলে । আর ব্যালেন্সড ডায়েট হইতে যা যা লাগে তার খুব সামান্যই আছে এইসব খাবারে । আসল কথা হলো- হরলিক্স অথবা কমপ্লান এর মত খাবার US FDA এপ্রুভড না। তবুও সবাই খাচ্ছে মুড়ির মত। আর বিজ্ঞাপনের প্যাচে পড়ে – সব পুষ্টিগুনের আশায়
ভাত মাছ বাদ দিয়া হরলিক্স আর কমপ্লান নিয়া পইড়া থাকে মায়েরা।

“বর্নভিটা” নামক আরেক দুধ কোম্পানী দাবী করে – তাদের দুধে দৈনিক চাহিদার ৪০% ভাগ প্রোটিন চাহিদা পুরণ করে। অথচ তাদেরি ফাইন প্রিন্টে লেখা আছে বর্নভিটার দুধে খুব সামান্যই প্রোটিন আছে। খাড়ার উপ্রে কেমনে কথা ঘুরায়ালায় এরা।

হরলিক্স এবং কমপ্লান দুইটা কোম্পানীই দাবী করে তাদের দুধে সুষম পরিমানে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। কিন্তু কমপ্লানে প্রতি ১০০ গ্রামে এদের পরিমান যথাক্রমে ১৮ গ্রাম, ৬২ গ্রাম, ১১ গ্রাম, ৮০০ মিগ্রা ও ৭৮০ মিগ্রা । আর সেখানে হরলিক্সে প্রতি ১০০ গ্রামে এদের পরিমান যথাক্রমে – ১১ গ্রাম, ১৪ গ্রাম, ২ গ্রাম, ৭৪১ মিগ্রা ও ২৮০ মিগ্রা। এদের তুলনায় বর্নভিটা ও বুস্টে এদের পরিমান অনেক কম থাকে।

তাহলে এখন বলুন কোনটা আসলে সুষম। দামের হিসাবে কিন্তু সবাই একই সমান প্রায়। সুতরাং আপনার শিশুর পুষ্টি চাহিদা ডায়েটিশিয়ানের কাছে গিয়ে করুন। বিজ্ঞাপনে মুগ্ধ হয়ে ভুল বুঝে না।

যাই হোক- জীবনের প্রথম ৬ মাস মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নাই। কিন্তু বছরের পর বছর যদি বাচ্চা কে সাপ্লিমেন্টারি ফুড না দিয়ে দুধের উপর নির্ভরশীল করে ফেলেন , তাহলে “মিল্ক ইঞ্জুরি” নামক রোগের শিকার হতে পারে আপনার বাচ্চা। সেই বাচ্চা ফুলাফাপা থাকবে (edematous) প্রোটিনের অভাবে। কিন্তু ভিতর দিয়া সব ধরনের নিউট্রিশনাল ডেফিসিয়েন্সি তে ভুগবে। তখন কই যাইবো গিয়া টলার স্ট্রংগার শার্পার।

# বিজ্ঞাপন মানুষের মাথায় ভুত হিসেবে ঢুকছে। আপনার বিবেচনা ও বিবেককে নষ্ট করে দিচ্ছে।

সচেতন হোন নিজের জন্য। নিজের সন্তানের জন্য।
Share
Tweet
Pin
Share
1 Comments
Coconut water is a great medicine, ডাব, ডাবের উপকারিতা

কেন খাবেন ডাবের পানি? আসলে তা খেলেই বুঝবেন। বিশেষ করে এই গরমে ডাবের পানি মহৌষধ। খাবেন টলটলে পানি। অথচ শরীরে গিয়েই সে আপনার নানান উপকারে লেগে যাবে। 

ডিহাইড্রেশন কমায়: গরমে শরীর খুব তাড়াতাড়ি জল টেনে নেয়। ফলে দেখা দেয় ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা। ডাবের জলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ যা শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ করে। 

রক্তচাপ কমায়: আপনার কি রক্তচাপ খুব বেশি? তাহলে নিয়মিত ডাবের জল খান। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। 

হজমশক্তি বাড়ায়: ডাবের জলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা আমাদের পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। হজমশক্তি অনেক বাড়িয়ে তোলে। নিয়মিত ডাবের জল খেলে অ্যাসিডিটির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। 

ডায়বিটিস: ডায়বিটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী ডাবের জল। নিয়মিত ডাবের জল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। 

কোষ্টকাঠিন্য দূর: ডাবের জলে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। যাঁরা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন তাঁদের জন্যও ডাবের জল খুব উপকারী। 

মূত্রাশয়ের রোগ নিরাময়ে: ডাবের জলে রয়েছে ডাই-ইউরেটিক উপাদান যা ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াকে নষ্ট করে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলে। 

ত্বকের যত্ন: অ্যাকনের সমস্যা থাকলে ডাবের জলে তুলো ভিজিয়ে তা ত্বকের উপর লাগান। তৈলাক্ত বা শুষ্ক যে কোনও ত্বকেই ব্যবহার করতে পারেন এই জল। ডাবের জল খেলে মুখের ত্বক আর্দ্র হয়। অনেক তরতাজা দেখায়।

ছবি ও তথ্য – ইন্টারনেট 
Share
Tweet
Pin
Share
No Comments
The main disadvantages of less sleep at night
The main disadvantages of less sleep at night


এক গবেষণায় দেখা গেছে আজকের দিনে বেশিরভাগ মানুষ সাধারণ যেসব সমস্যায় ভোগে তার মধ্যে ঘুমজনিত সমস্যা অন্যতম। পর্যাপ্ত পরিমাণে না ঘুমালে একজন মানুষের শরীরে সবচেয়ে বড় আঘাতটা লাগে মস্তিষ্কে। কেবলমাত্র মস্তিষ্ক ছাড়াও শরীরে আরো অনেক সমস্যার জন্ম দেয় অপর্যাপ্ত ঘুম। আর এসব সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে অনেকে অনেক পথ বেছে নেন। যা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হলেও অনেক ক্ষেত্রে তেমন একটা কাজে আসে না। চলুন দেখা নেওয়া যাক ভালো ঘুম না হলে কী কী সমস্যা হতে পারে।



মাথা ব্যথা:
শরীরের যতটুকু ঘুম প্রয়োজন তার চেয়ে ঘুম কম হলে মাথা ব্যথার সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। কারণ আমাদের মস্তিষ্ক তার প্রয়োজন মতন বিশ্রাম না পেলে সে অন্যান্য কাজের মধ্যে সমস্যা তৈরি করে। মাথাব্যথার কারণে স্বাভাবিক যেকোনো কাজ করতে অসুবিধা হয়।

মেজাজ খিটখিটে হওয়া:
শরীর যখন পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায়না তখন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। আর এই কারণে স্বাভাবিক কথাবার্তা ব্যাহত হয় আর সবকিছুতেই প্রচণ্ড বিরক্ত লাগে। এই খিটখিটে স্বভাবটা অনেকদিন থাকলে কেউ যদি আপনাকে খুব সুন্দর ভাবে হেসে জিজ্ঞেস করে, “কি খবর? কেমন আছেন?” তার কথাতেও বিরক্ত হবেন।

কিছুই ভালো না লাগা:
তরুণ-তরুণীদের মধ্যে কিছুই ভালো না লাগার ব্যাপারটা প্রকট আকার ধারণ করছে। যাদের ঠিকঠাক ঘুম হয় না কিংবা যাদের ঘুমের সমস্যা অনেক বেশি তাদের এই সমস্যাটাও অনেক বেশি হয়। এতে যেকোনো ভালো কাজও খারাপ লাগে । কাজের অনীহা বেড়ে যায় এবং সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হয়।

সবসময় ক্লান্তিতে ভোগা:
ঘুম সঠিকভাবে না হলে সারাদিন একটা ক্লান্তি কাজ করে। কারণ গত রাতে যে সময়টাতে আপনার বিশ্রাম নেয়ার কথা ছিলো শরীর সে সময়ে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায়নি। তাই তার সারাদিনের কাজের মধ্যেও সে তার প্রয়োজনীয় বিশ্রামটুকুন পেতে চায়। কিন্তু আপনাকেতো কাজও করতে হবে! তাই কাজের মধ্যে ক্লান্তির ভাব সবসময় লক্ষ্য করা যায়।

একাকিত্ব বোধ করা:
আপনার শরীর শুধুমাত্র আপনার। আপনার যদি হাত ব্যথা করে তা শুধু আপনিই অনুভব করতে পারবেন। আপনার পাশে যে আছে সে টের পাবে না। তাই যখনই আপনি পর্যাপ্ত ঘুমান না তখন শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, মেজাজ খিটখিটে থাকে। তখন ক্লাসে বা কোনো কাজের মধ্যে অন্য কারো অনুপ্রবেশও বিরক্তিকর হয়ে উঠে। এতে করে নিজের মধ্যে একাকিত্ব বেড়ে যায়।

আপনার ঘুমের সমস্যা হলে আপনার মাঝে উপরের কয়েকটি লক্ষণ দেখতে পাবেন। একটু খেয়াল করলেই দেখবেন কখনো ক্লান্তি কিংবা চলতে ফিরতে বিরক্তি বোধ করলে আগের রাতে আপনার ঠিকমত ঘুম হয়নি। এরপর বের করতে হবে ঘুম না হবার কারণ।
Share
Tweet
Pin
Share
No Comments
স্মৃতিশক্তি, মস্তিষ্ক, স্মৃতি, মনে রাখার কৌশল, মনে রাখা


বয়স হলে স্মৃতিশক্তি কমে, এ নিয়ে বলার কিছু নেই। তবে স্মৃতিশক্তি কমার জন্য আমরা নিজেরাই কিছুটা দায়ী।

গবেষকরা মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন। বয়স বাড়লেও কীভাবে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বজায় রাখা যায় তা নিয়ে তারা অনেক ধরনের পরামর্শও দিয়েছেন। তারা বলছেন, যত বেশি পরিমাণে মস্তিষ্কের চর্চা করা যাবে এবং শরীরের যত্ন নেয়া হবে ততই মস্তিষ্কের উর্বরতা বাড়বে।

যত বেশি নতুন নতুন কিছু শিখবেন ততই মস্তিষ্কের চর্চা বাড়বে। যেমন-নতুন কোনো বাদ্যযন্ত্র শেখা, সুডুকু বা দাবার মতো বুদ্ধি বাড়ানোর কোনো গেম খেলা, নতুন ধরনের কোনো নাচ, ছবি আঁকা, সৃষ্টিশীল কোনো কাজ শেখা, নতুন ভাষা রপ্ত করা ইত্যাদি স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

নিজেকে কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখতে হবে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিজেকে যত বেশি কাজে ব্যস্ত রাখবেন ততই মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়বে। আপনি যত বেশি গোছানো হবেন আপনার স্মৃতিশক্তি ততই ভাল থাকবে। সারাদিনে আপনি কি কি কাজ করবেন তা একটি খাতায় লিখে রাখতে পারেন। তাহলে ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান। আর সকালে একই সময়ে ওঠার চেষ্টা করুন। ছুটির দিনেও একই রুটির মেনে চলার চেষ্টা করুন। তাহলে আপনার ঘুমের একটা ভারসাম্য বজায় থাকবে। এতে মস্তিষ্কও সুস্থ থাকবে।

ঘুমানোর আগে সেল ফোন, টেলিভিশন এবং কম্পিউটার স্ক্রিনে কোনো কিছু দেখা থেকে বিরত থাকুন। পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম না হলে মস্তিষ্কের ওপর তার প্রভাব পড়ে।

মস্তিষ্কের উর্বরতা বাড়াতে কিছু খাবার খাওয়া জরুরি। এর মধ্যে সবুজ শাকসবজি, জাম, শস্যদানা, বাদাম, মুরগির মাংস, অলিভ ওয়েল অথবা নারকেল তেল, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
Share
Tweet
Pin
Share
No Comments
Older Posts

About me

About Me

Aenean sollicitudin, lorem quis bibendum auctor, nisi elit conseat ipsum, nec sagittis sem nibh id elit. Duis sed odio sit amei.

Follow Us

  • facebook
  • twitter
  • instagram
  • Google+
  • pinterest
  • youtube

Categories

recent posts

Sponsor

Facebook

Blog Archive

  • অক্টোবর 2019 (1)
  • আগস্ট 2018 (16)
  • জুলাই 2018 (5)

Created with by ThemeXpose